Agaminews
Dr. Neem Hakim

গীতা জয়ন্তী উপলক্ষে শিক্ষার্থী ও সুধীজনের মাঝে ধর্মীয় গ্রন্থ গীতাদান


বার্তাকক্ষ প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ২৫, ২০২০, ১১:১৪ অপরাহ্ন /
গীতা জয়ন্তী উপলক্ষে শিক্ষার্থী ও সুধীজনের মাঝে ধর্মীয় গ্রন্থ গীতাদান

স্বীকৃতি বিশ্বাস স্টাফ রিপোর্টারঃ

যশোর জেলার অভয়নগর,মনিরামপুর, কেশবপুর,ডুমুরিয়া,ফুলতলাসহ কয়েক উপজেলার ৯৬ টি গ্রাম নিয়ে গঠিত ৯৬ গ্রামের শিক্ষা বিস্তার অসামান্য অবদান রাখেন মতুয়া ধর্মের প্রবর্তক হরি চাঁদ গুরুচাঁদ ঠাকুর। আর তাদের সাথে শিক্ষা বিস্তারের কাজে সহায়ক ভূমিকা পালন করেন তদান্তিনকালের মশিয়াহাটী অঞ্চলের প্রাণ পুরুষ রাইচরণ মজুমদার। শিক্ষা বিস্তারে অসামান্য অবদানের জন্য তাঁরই নামে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে” রাইচরণ সেবাসঙ্ঘ”। এই সেবাসঙ্ঘের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় শিক্ষা,চিকিৎসা, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড, সেবামূলক কাজ ও সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য সম্মানা দেওয়া হয়।

প্রতিটি ধর্ম মানুষকে সৎ পথে, সঠিক পথে পরিচালিত করে। প্রতিটি মানুষ যদি স্ব স্ব ধর্মের অনুশাসনগুলো মেনে চলেন তাহলে পৃথিবীতে হিংসা,বিদ্বেষ, হানাহানি থাকত না।

ধর্ম সংস্থাপনের জন্য কৌরব ও পান্ডবদের মধ্যে যুদ্ধ সংগঠিত হয়। কিন্তু মহাবীর অর্জুন নিজদের মধ্যে ভাইয়ে ভাইয়ে যুদ্ধ করতে সম্মত হতে চাইছিলেন না।কিন্তু ধর্ম সংস্থাপনার জন্য শ্রী কৃষ্ঞ অর্জুনকে জ্ঞানদান করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিকট ঈশ্বরতুল্য পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের মুখনিঃসৃত বাণী ধর্ম গ্রন্থ গীতায় লিপিবদ্ধ আছে।
আজ ২৫.১২.২০২০ রোজ শুক্রবার অভয়নগর উপজেলার মশিয়াহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে পরমেশ্বর শ্রী কৃষ্ণের মুখনিঃসৃত বাণী ” “শ্রীমদ্ভগবত গীতা জয়ন্তী” উপলক্ষে ইস্কন রামসরা ধামের সৌজন্যে ” রাইচরণ সেবাসঙ্ঘ, মহিষদিয়া,মনিরামপুরের সহযোগীতায় গীতাদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

দেবাশীষ রায়ের সঞ্চালনায় পবিত্র গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাবু চঞ্চল রায়, প্রভাষক, জাতপুর টেকনিক্যাল কলেজ,তালা,প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাবু কার্ত্তিক চন্দ্র মন্ডল,বিভাগীয় প্রধান,ইংরেজি সাহিত্য বিভাগ,সুন্দরবন কলেজ,খুলনা,বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাবু শংকর বিশ্বাস-পিএইচডি ফেলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, সহকারী অধ্যাপক ও বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষার্থী ও সুধীজন।

উক্ত সভায় বক্তাগণ বলেন,বর্তমান সময়ে সামাজিক অবক্ষয়ের ক্রান্তিকালে স্ব স্ব ধর্মীয় জ্ঞান পারে নৈতিক শিক্ষার উন্নয়ন ঘটাতে।তাই গীতাজ্ঞান ও গীতাদনের মতো কর্মসূচি সত্যি প্রশংসনীয়।

৩৫ জন শিক্ষার্থী ও ১৬বিজ্ঞজনকে গীতাদান করেন অনিমেষ রায় ও তার সু্যোগ্য সহধর্মিণী হৈমন্তী গোলদার।
সর্বশেষে, করোনার মতো মহামারী থেকে পৃথিবীর মানব জাতিকে রক্ষার্থে ও সমগ্র পৃথিবীর কল্যাণ কামনায় এক প্রার্থনা সভা করে আয়োজনের সমাপ্তি করা হয়।