Agaminews
Dr. Neem Hakim

ব্যতিক্রমি উদ্যোগ বিদ্যাশ্রম


বার্তাকক্ষ প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১৭, ২০২০, ১১:৪৮ অপরাহ্ন /
ব্যতিক্রমি উদ্যোগ বিদ্যাশ্রম

স্বীকৃতি বিশ্বাস স্টাফ রিপোর্টার।

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী,সুপ্রাচিন,প্রথম শত্রু মুক্ত জেলা যশোর। যশোর জেলার শিক্ষা,সাংস্কৃতিক,চিত্রকলা,রাজনৈতিক পরিমন্ডলের ব্যাপক ও সূদুর প্রসারী। কিন্তু এটা অর্জন করতে অত্রএলাকায় কালে কালে জন্ম নেওয়া বিভিন্ন মহীয়সীদের ত্যাগ,শ্রম,দান সবই মিশে আছে। যশোরের মতো শহরে ১৮৫১ সালে একটি প্রাচীন গ্রন্থাগার জনগনের প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে অদ্যোবধি সমহিমায় ধ্রুব তারার ন্যায় জলজল করছে।যশোরের লোকের সৃষ্টি শীলতার শেষ নেই। 

 

নতুন কিছু সৃষ্টির আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।আর এই সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মেতে উঠতে সবাই পারেন না।সৃষ্টির আনন্দে মেতে উঠার জন্য একটা বিরাট মনের প্রয়োজন হয় যা সবার থাকেনা।

আর তেমনি একটা উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে মনিরামপুর, কেশবপুর ও অভয়নগরের সীমান্তবর্তী জেলার ভবদহের জলাবদ্ধ এলাকার সৃষ্টি পাগল একজন ব্যক্তি।যেখানে মানুষ ভবদহের জলাবদ্ধতায় খাদ্য, পোশাক,বাসস্থান,চিকিৎসা ও শিক্ষারও কষ্টে থাকে।এত কষ্টের মধ্যে মানুষের মনের ক্ষুধা নিবারনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিদ্যাশ্রম।আমরা সবাই জানি বৃদ্ধ/বৃদ্ধা মা-বাবাকে অপেঙ্তয় মনে করে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসি।বৃদ্ধাশ্রম শব্দটির সাথে পরিচয়ের ব্যাপকতা অনেক কিন্তু বিদ্যাশ্রম শব্দটির ততটা নয়।প্রথমে শুনে নিজেও অনেকটা হতবম্ভের মতো হয়ে গিয়েছিলাম।আমরা এতদিন জানতাম বইয়ের জন্য সাধারণত লাইব্রেরী শব্দটা বহুল পরিচিত।কিন্তু বিদ্যাশ্রম শব্দটির সাথে মোটেই নয়।

 

বিদ্যাশ্রমটি যে প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছেন এবং যারা এর সাথে জড়িত তাদের কাছে আমাদের নৈতিক অবক্ষয় যুক্ত সমাজ কৃতজ্ঞ।

 

আগামী ২২ ডিসেম্বর /২০২০ রোজ মঙ্গলবার মনিরামপুর উপজেলার হেলারঘাট নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিদ্যাশ্রমটি।বিদ্যাশ্রমটি উদ্বোধন যিনি করবেন তিনি ভবদহের যাতাকলে পিষ্ট হতে হতে নিজেকে খাঁটি সোনায় পরিনত করা ব্যক্তিত্ব জনাব শংকর বিশ্বাস পিএইচডি ফেলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়,সহকারী অধ্যাপক ও বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা,মাধমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকাসহ অত্র এলাকায় স্ব স্ব মহিমায় উজ্জ্বল নক্ষত্রেরা।

অনুষ্ঠান সূচীতে আছে সৃষ্টি শীলতা।

 

বই কিনে কেউ যেমন দেউলিয়া হয় না তেমনিভাবে বই দান করেও। সমাজের সকল স্তরের মানুষের কাছ থেকে বই সংগ্রহ করে বিদ্যাশ্রমটি সমৃদ্ধ করা হবে।তাই সমাজের তথা দেশের মানসিক বিত্তবানদের বই দানের অাহ্বান জানানো হয়েছে।

 

বর্তমান সামাজিক অবক্ষয় থেকে আমাদের আগামী প্রজন্মকে রক্ষা করার জন্য প্রতিটি পাড়ায়,মহলায় এই রকম বিদ্যাশ্রম গড়ে তোলা অতীত জরুরী।