Agaminews
Dr. Neem Hakim

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের পরিমান কমানো হয়েছে


বার্তাকক্ষ প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৪, ২০২০, ৭:৪৬ অপরাহ্ন /
সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের পরিমান কমানো হয়েছে
জাতীয় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের সীমা কমিয়েছে সরকার।উদ্দেশ্য সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে নিরুৎসাহিত করা। ০৩ ডিসেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (সঞ্চয় শাখা) থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এক নামে ৫০ লক্ষ এবং যৌথ নামে ১ কোটি টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে না। বর্তমানে একক নামে সর্বোচ্চ ১ কোটি ৫৫ লক্ষ এবং যৌথ নামে ২ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করা যায়।পূর্বের চেয়ে একক নামের ক্ষেত্রে ১ কোটি ৫ লক্ষ ও যৌথ নামের ক্ষেত্রে ১ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা কমলো।

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব নুসরাত জাহান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সঞ্চয়পত্র রুলস, ১৯৭৭ এবং পরিবার সঞ্চয়পত্র নীতিমালা, ২০০৯-এ বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা বিষয়ে যাই বলা থাকুক না কেন সরকার ৫- বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, ৩-মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্র এবং পরিবার সঞ্চয়পত্র তিনটি স্কিমের বিপরীতে সমন্বিত বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা একক নামে সর্বোচ্চ ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা অথবা যৌথ নামে সর্বোচ্চ ১ (এক) কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে। জনস্বার্থে এই আদেশ জারি করা হলো। যা জারির তারিখ হইতে কার্যকর হইবে।

উল্লেখ্য, জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় গত ১ জুলাই থেকে সারাদেশে সঞ্চয়পত্র বিক্রি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ক্রেতা বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক, জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতর বা ডাকঘর যেখান থেকেই সঞ্চয়পত্র কিনা হোক না কেন, সকল তথ্য জমা একটি নির্দিষ্ট ডাটাবেসে সংরক্ষিত হচ্ছে। ১ লক্ষ টাকার বেশি হলে ক্রেতাকে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) দিতে হবে। এছাড়া সকল প্রকার লেনদেন বাধ্যতামূলক ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে করতে হবে।