Agaminews
Dr. Neem Hakim

বিনাধান-২২ চাষে সফলতা


Khoborer প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৩০, ২০২০, ১:৪২ পূর্বাহ্ন /
বিনাধান-২২ চাষে সফলতা

চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ জেলায় নতুন জাতের বিনাধান-২২ চাষে সফলতা পেয়ে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে।
গত বছর পরীক্ষামূলক হলেও চলতি আমন মৌসুমে বাণিজ্যিকভাবে এই নতুন জাতের ধানের চাষ করা হচ্ছে।  উচ্চফলনশীল হওয়ায় দেশের বাড়তি খাদ্য চাহিদা পূরণে এ ধান ভূমিকা রাখবে বলে আশা কৃষিবিদদের।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমন মৌসুমে ধানের ফলন ভাল হলেও এবার বিনাধান-২২ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেন কৃষকরা। নাচোল, গোমস্তাপুর ও সদর উপজেলার ৫০০ হেক্টর জমিতে চাষ হয় উচ্চফলনশীল, স্বল্পজীবন কাল ও খরা সহনশীল সমৃদ্ধ জাতের এ ধান।
ভাল ফলনের আশায় আমন মৌসুমে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করলেও এবার বিনা-২২ জাতের ধানে বিঘা প্রতি ৪ থেকে ৫ মণ উৎপাদন বেশি হওয়ায় খুশি কৃষকরা।  ধান লাগানো থেকে ১১৫ দিনের মধ্যে পাকা শুরু হয়।  এরই মধ্যে ঘরে উঠেছে নতুন ফসল।
এ জাতের ধান দেশের বাড়তি খাদ্য চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে বলে জানায় স্থানীয় কৃষি বিভাগ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ নজরুল ইসলাম বলেন, “যেহেতু পানির অসুবিধা আছে এই এলাকায় এবং এই ধান যেহেতু আগাম হয় তাই আগেই যদি মাঠ থেকে তুলে কৃষকের ঘরে নিয়ে যেতে পারি তাহলে আমাদের জন্য ভাল’ হবে।”
চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিনা উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ হাসানুজ্জামন বলেন, “এই চাল চিকন , তাই ভোক্তাদের চাহিদা বেশি। এজন্য অর্থনৈতিকভাবেও এটা লাভজনক হবে।”
অল্প খরচে লাভ, চাহিদা ও পরনির্ভরতা কমিয়ে আনতে প্রতিনিয়তই নতুন জাতের ধানসহ উন্নত সবজি ও ডাল বীজ আবিষ্কারের কথা জানায় কৃষি মন্ত্রণালয়। বছরে তিন বার ফসল উঠানো যাবে এমন ‘কন্সেপ্ট’ থেকেই এই ধান উৎপাদনে জোড় দেয়ে হচ্ছে বলে জানান কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কমলা রঞ্জন দাশ।\
বিনাধান-২২ জাতের ধান বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২১ মণ হবে। আর এ ধান কেটে রবি মৌসুমে সরিষা, মসুর, আখ, গম ও শাক সবজি চাষ করা যাবে বলেও জানান কৃষি কর্মকর্তারা।
আগামীনিউজ/এএইচ