Agaminews
Dr. Neem Hakim

গাইবান্ধায় হেমন্তকালই যেনো শীতকাল


বার্তাকক্ষ প্রকাশের সময় : নভেম্বর ১৪, ২০২০, ১:৪৭ পূর্বাহ্ন /
গাইবান্ধায় হেমন্তকালই যেনো শীতকাল

 রিপোর্টারঃ -মুগ্ধ খন্দকার

ঋতু পরিক্রমার হিসাব মোতাবেক শীতকাল না হলেও প্রকৃতিতে এখন হেমন্তকাল। কিন্তু এখনই শীত কড়া নাড়ছে উত্তর জনপদের জেলা গুলোতে। দিনে মেঘহীন সূর্যের তাপ থাকলে ও তাকে মিস্টি রোদ বলা চলে আর রাতে পড়ে হালকা থেকে ঘন কুয়াশা। ঋতু বৈচিত্রের এই মনোরম খেলা উপভোগ করছে গাইবান্ধার মানুষ। উত্তরের হিমালয় খুব কাছে কিংবা খুব বেশি দূরে না হলেও উত্তরের জেলা গুলোর মধ্যে গাইবান্ধায় বরাবরই শীতের প্রকোপ একটু বেশিই থাকে প্রতিবারই।প্রতিবছর শীতকালেই বেশির ভাগ সময় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করে এই জেলায়।

এবার শীত আসার আগে হেমন্তকালেই পড়ে যাচ্ছে শীত । গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে গাইবান্ধায় গড়ে তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৪’র ঘরে নেমেছে। দিন যাবে তাপমাত্রা আরো কমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা যাচ্ছে। পৌষ-মাঘে শীতের দেখা মিললেও গাইবান্ধায় শীতের দেখা পাওয়া যাচ্ছে একটু আগেভাগেই। দিনে সূর্যের তাপ থাকলেও সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে তাপমাত্রা কমে যায়। রাতে টিপটিপ করে পড়ছে কুয়াশা। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা কুয়াশায় ঢেকে থাকে চারপাশ। সন্ধ্যার পর খোলা আকাশের নীচে যানবাহন রাখলেই তা কিছুক্ষণের মধ্যেই ভিজে ওঠে। গাইবান্ধার শহর অঞ্চলের চেয়ে গ্রামাঞ্চলে কুয়াশা বেশি পড়ছে। শহরের শেষ রাতে কাঁথা জড়িয়ে ঘুমাতে হলেও গ্রামে হয়ত কম্বল কাথা দুটোই জরুরি। স্নিগ্ধ সকাল মিস্টি রোদ হাসি দিয়ে গাছে গাছে লতা পাতা আর ঘাসের ওপর ঝরে শিশির বিন্দু দেখা যাচ্ছে, দেখা যাচ্ছে গ্রামে গঞ্জে বৃদ্ধ, শিশুদের মিস্টি রোদে রোদ তাপানোর দৃশ্য ।

এছাড়াও ভোর বেলা ও সন্ধ্যা বেলায় গ্রাম ও শহরের পাড়া মহল্লায় বসছে ভাপা পিঠার দোকান । শীতকাল না আসতেই শীতের এই আমেজ বেশ উপভোগ্য । শীতের আগমনী জোরালো বাতাস শীতের কাপড় বের করতে শুরু করেছেন গাইবান্ধাবাসী। এছাড়াও শহরের মার্কেট গুলোতে ইতিমধ্যেই শীতের কাপড় বিক্রি শুরু করেছেন বিক্রেতারা।