Agaminews
Dr. Neem Hakim

চট্টগ্রাম বিআরটি তে রশিদ ছাড়া লক্ষ লক্ষ টাকা কালেকশন করতেছে লাইসেন্স ডিপার্টমেন্ট


আবদুল্লাহ আল হাদী প্রকাশের সময় : নভেম্বর ১৩, ২০২০, ১০:৩২ অপরাহ্ন /
চট্টগ্রাম বিআরটি তে রশিদ ছাড়া লক্ষ লক্ষ টাকা কালেকশন করতেছে লাইসেন্স ডিপার্টমেন্ট

স্টাফ রিপোর্টার : 

লাইসেন্স ডিপার্টমেন্টর সমস্ত টাকার হিসাব এবং ক্ষমতা থাকে মোস্তাফিজুর রহমান সেলিম এর কাছে । লাইসেন্স ডিপার্টমেন্ট এর সবকিছু কন্ট্রোল করে মুস্তাফিজুর রহমান সেলিম এর নিজস্ব ক্ষমতা সহ একটা নিজস্ব বাহিনী আছে

এই বাহিনীর কাজ হচ্ছে পাবলিক থেকে পরীক্ষার নামে লাইসেন্সের লানার কার্ড সংগ্রহ করা। প্রতি লার্নার কার্ডে পেশাদার তিন হাজার পাঁচশত টাকা এবং অপেশাদার চার হাজার টাকা পাস করানোর জন্য নেয় । পরীক্ষা পাশের নামে মেট্রো সার্কেলে সেলিম বাহিনীর প্রধান হচ্ছে মোঃ কাশেম হেলাল শাহেদ ও জাহাঙ্গীর এবং জেলা সার্কেলের সেলিম বাহিনীর প্রধান হচ্ছে হাবিব তাহের সাইফুল জিলানী সহ আরো নাম না জানা কিছু ব্যক্তি আছে। এদের কাজ হচ্ছে পরীক্ষার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া এবং এগুলো সব সংগ্রহ করে সেলিমের হাতে দিবে সেলিম হিসাব করে ভাগ বাটোয়ারা করে কিছু টাকা উপরের মহলে বিভিন্ন জায়গায় দিয়ে রাখে যাতে এই পরীক্ষার দায়িত্ব সেলিম এর হাত থেকে কখনো চলে না যায়।

উপরমহলের বিভিন্ন কর্তাব্যক্তির সাথে সেলিমের ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে বলেও দাবি করে। এবং মাঝে মাঝে ও দম্ভ করে বলে আমার হাত প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত রয়েছে কেউ আমাকে কিছুই করতে পারবে না এবং অঘোষিত নিয়োগের বাইরে মন্ত্রণালয়ের একটা চিঠির মাধ্যমে ও একটা নিয়োগপত্র আছে বলে দাবি করে। সংগ্রহ কৃত সকল টাকা অফিস অফিস সহকারী মোটরযান পরিদর্শক সহকারী পরিচালক এদের জন্য কিছু অংশ রেখে বাকি সব এরা নিজেরাই ভাগ করে এভাবে চলতে থাকে পরীক্ষা। তারপর পরীক্ষা পাসের ১৫ থেকে ২০ দিন পর জেলা সার্কেলে সাইফুল মেট্রো সার্কেলে হেলাল ফাইল জমা দেওয়ার সময় অফিস খরচের নামে ২৫০ হতে ৩০০ টাকা নিয়ে ফিঙ্গার এর স্লিপ প্রদান করে। এরমধ্যে নতুন কাহিনী শুরু হয়েছে প্রতিটি ফাইলে কোন একটা কমপ্লেইন ধরা কোনভাবে একটা কমপ্লেন ধরতে পারলে আরো ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার বিনিময়ে ওই কমপ্লেন উড্রো করে নেয়া তারপর ফাইল কমপ্লিট হয়।

এটা বেশ কিছুদিন যাবৎ লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে সিএনজির ড্রাইভার বাসের ড্রাইভার এরা বাইরে এসে রাস্তায় অফিসের আঙ্গিনায় সরকারকে গালি গালাজ করে। এসব সিস্টেমের জন্য। সরকার কি আসলে আদৌ এইসব সিস্টেমের কথা জানে। বেশ কিছুদিন যাবৎ লক্ষ্য করলাম সেলিম বাহিনী উপর থেকে অনেক কিছু লুকিয়ে করে ফেলে অর্থাৎ মোটরযান পরিদর্শক, সহকারি পরিচালক, উপ-পরিচালক, এরা অনেকেই সেলিমের বিষয়ে অজ্ঞাত পরিচালক এবং মোটরযান পরিদর্শক কিছুটা সেলিমের বিষয়ে জানলেও হিসাবের জন্য পুরোপুরি এসব বিষয় জানে না সেলিম বাহিনীর প্রতি সাপ্তাহে ৩ লক্ষ থেকে ৪ লক্ষ টাকা এবং সেলিম ব্যক্তিগতভাবে প্রতি সপ্তাহে ২ লক্ষ টাকা সংগ্রহ করে থাকে। কিন্তু উপরের মোটরযান পরিদর্শক এবং সহকারী পরিচালক কি এভাবে প্রতি সপ্তাহে এত টাকা সংগ্রহ করতে পারে প্রশ্ন থেকে যায়।

চলমান