Agaminews
Dr. Neem Hakim

নিষিদ্ধ হকার সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে বাংলাদেশ হকার্স লীগের বিক্ষোভ মিছিল


বার্তাকক্ষ প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৭, ২০২০, ৩:১৪ অপরাহ্ন /
নিষিদ্ধ হকার সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে  বাংলাদেশ হকার্স লীগের বিক্ষোভ মিছিল

স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশ হকার্স লীগের সভাপতি এম এ কাশেমের দায়ের করা মামলায় ৭টি অবৈধ হকার্স সংগঠন অবৈধ বলে ঘোষণা করেছে শ্রম আদালত। সংগঠনগুলি হলো বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়ন, বাংলাদেশ ছিন্নমুল হকার্স সমিতি, বাংলাদেশ হকার্স সংগ্রাম পরিষদ, বাংলাদেশ আওয়ামী হকার্স লীগ, ইসলামী হকার্স শ্রমিক আন্দোলন, বাংলাদেশ আওয়ামী হকার্স লীগ, বাংলাদেশ হকার্স সমন্বয় পরিষদ। শ্রম আদালত গত ৪ নভেম্বর এই আদেশ প্রদান করেন।

অবৈধ এসব হকার্স সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে শনিবার সকালে রাজধানীতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করে বাংলাদেশ হকার্স লীগ। এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হকার্স লীগের সভাপতি এম এ কাশেম। সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইনসুর আলী। বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ হকার্স লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আজহার আলী, প্রচার সম্পাদক মোঃ সাকের, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সুলতানা আক্তার, সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ নাদির, সহ-দপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আদালত কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত হকার সংগঠনগুলোর কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় বাংলাদেশ হকার্স লীগ বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে। বাংলাদেশ হকার্স লীগের বিক্ষোভ মিছিলটি ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়কগুলি প্রদক্ষিণ করে। এসময় বাংলাদেশ হকার্স লীগের সভাপতি এম এ কাশেম বলেন, একটি সুবিধাবাদী চক্র আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে প্যাড সর্বস্ব হকার্স সংগঠন তৈরী করে রাজধানীসহ সারাদেশে অবৈধভাবে চাঁদাবাজী করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যে শ্রম আদালত নির্দেশ দিয়েছেন। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইনসুর আলী বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন যাবৎ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থেকে এদেশের খেটে খাওয়া মানুষের কল্যাণে কাজ করছেন। এই সুযোগে কিছু সুবিধাবাদী অনুপ্রবেশকারীরা বিভিন্ন নামে-বেনামে সংগঠন তৈরী করে ফায়দা লুটছে। এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা খুবই জরুরী। না হলে এদের কর্মকান্ডের কারণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগসহ সরকারের ভাবমুর্তি নষ্টের সম্ভাবনা রয়েছে।