Agaminews
Dr. Neem Hakim

বীরগঞ্জে সৃষ্ট চাঁদাবাজী মামলায় ৩ সাংবাদিককে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত 


বার্তাকক্ষ প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২৯, ২০২০, ৪:৪৯ অপরাহ্ন /
বীরগঞ্জে সৃষ্ট চাঁদাবাজী মামলায় ৩ সাংবাদিককে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত 

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানার সাবেক ও ভুতপূর্ব অফিসার ইনচার্জ সাকিলা পারভীনের প্রতিহিংসা, ষড়যন্ত্রমুলক সৃষ্ট মিথ্যা চাঁদাবাজী মামলায় বীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ আবেদ আলী, সহ-সভাপতি নাজমুল ইসলাম মিলন ও যুগ্ন সাধারন সম্পাদক, সাংবাদিক-কলামিষ্ট মোশাররফ হোসেনসহ ৩ সাংবাদিককে বেকসুর খালাস দিয়েছে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত।

বীরগঞ্জ থানার সাবেক ও ভুতপূর্ব অফিসার ইনচার্জ সাকিলা পারভীনের বিরুদ্ধে ব্যপক অনিয়ম, সেচ্ছাচারিতা, ঘুষ-দুর্নীতির প্রতিবাদ এবং সংবাদপত্রে সংবাদ প্রেরন করায় ক্ষিপ্ত হয়ে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে পুঁজি করে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের সাতখামার গ্রামের মৃত-হাফিজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ আব্দুল মজিদকে বাড়ী থেকে থানায় ডেকে এনে মামলায় হেনস্থা করার ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন চাঁদাবাজী মামলা সাজিয়ে এবং তাকে বাদি করে ২৬ জুন’২০১৮ ইংরেজী তারিখের ঘটনা দেখিয়ে ৩১ জুলাই’২০১৮ ইং মামলা দায়ের করায়।

দীর্ঘ প্রায় ২ বছর ৬ মাস ধরে পেশাদার সাংবাদিক মোঃ আবেদ আলী, নাজমুল ইসলাম মিলন ও মোশাররফ হোসেন তিন জন দিনাজপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-২ ও মাননীয় দায়রা অতিরিক্ত জেলা জজ মোঃ আনোয়ারুল ইসলামের আদালতে স্বাক্ষীগনের স্বাক্ষ্য গ্রহন করেন এবং ঘটনা প্রমানিত না হওয়ায় ২৮ অক্টোবর’২০২০ ইং বিকেলে ৩ সাংবাদিককে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

বেকসুর খালাস প্রাপ্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন কলম সৈনিকেরা এক যুক্ত বিবৃতিতে জানান সাবেক ওসি সাকিলা পারভিনের রষানলে প্রতিহিংসা বশত ধর্ষনকারী ইউপি চেয়ারম্যান কে আড়াল করে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা’ আইনে এবং সন্ত্রাসীদের আড়াল করে ‘সাংবাদিক বনাম সাংবাদিক’ মামলা সৃজনসহ আরও বেশ কয়েকটি মিথ্যা মামলায় হয়রানী হচ্ছেন।

একইভাবে এলাকার অনেক নিরিহ মানুষ ওসি সাকিলা পারভিনের দ্বারা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার নজির বিদ্যমান।

ঐসব ঘটনা সংক্রান্তে ওসি সাকিলা পারভিনের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি বিভাগীয় এবং বিচার বিভাগীয় মামলা চলমান রয়েছে।

সেচ্ছাশ্রমে নিয়োজিত সাংবাদিকদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে মহান পেশার সাংবাদিককে হয়রানী করায় স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক ও পেশাজীবি সংগঠনের কর্মকর্তাগণ নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবি ছিলেন এ্যাডঃ মোঃ মেহেরেুল ইসলাম পিপি এবং সাংবাদিকদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সিনিয়র এ্যাডভোকেট মোঃ হামিদুল ইসলাম, সাবেক পিপি, তাকে সহযোগিতা করেন এ্যাডঃ একেএম গোলাম মূর্তজা মুকুল ও এ্যাডঃ আইরিন পারভীন।

মোশাররফ হোসেন, সাংবাদিক ও কলামিস্ট, সম্পাদক,সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি বীরগঞ্জ, দিনাজপুর ॥