একটি আতংকের রাত ও জনৈক ম্যাজিট্রেট কাহিনি- শাহাদাত হোসেন সেলিম

বার্তাকক্ষবার্তাকক্ষ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১২:১০ AM, ১৭ অক্টোবর ২০২০

শাহাদাত হোসেন সেলিম মহাসচিব লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি

২৮ শে ডিসেম্বর ২০১৮,রাত ৩ টা বাজে দুই শতাধিক সশস্ত্র যৌথ বাহিনী আমার বাড়ী ঘেরাও করে। এক একজন মুর্তিমান আজরাইল যেন। ঘর তচনচ করে তারা আমার ঘরে থাকা চার জন নেতা কে গ্রেফতার দেখিয়ে তুলে নিয়ে যেতে চায়,বারবার কারন জিজ্ঞেস করি,তারা যেন মূখ ও বধির।হঠাৎ আবিষ্কার করলাম সিভিল পোষাকের ছোটখাট একজন ম্যাজিট্রেট কে। তার কাছে গিয়ে একজন সাংসদ প্রার্থীর বাড়ীতে মধ্য রাতে এ অনাচারের কারন জানতে চাইলাম। তাকে বললাম একদিন আপনাদের কে এর মাসুল দিতে হবে।তিনি আমতা আমতা করতে লাগলেন। যে চার জন নেতা কে গ্রেফতার করা হলো তার মধ্যে একজন রামগঞ্জের সর্বজন শ্রদ্বেয়,বয়োজ্যেষ্ঠ,অসুষ্হ,দার্শনিক টাইফের নেতা,সাদা মনের সফি আহাম্মদ খোকা ভাই ও ছিলেন। আমি আমার সর্বশক্তি দিয়ে,সীমাহীন বিনয় দিয়ে,অত্যান্ত অনুনয় করে,আল্লাহর দোহাই দিয়ে খোকা ভাই কে ছেড়ে দেবার জন্য ম্যাজিট্রেট সাহেব কে বারংবার অনুরোধ করলাম। এক প্রর্যায়ে আমি থানায় যাবার জন্য বাহিনীর গাড়িতে গিয়ে উঠলাম। আমার নাছোরবান্দা মনোভার দেখে ম্যাজিট্রেট বল্লো স্যার আমি কথা দিচ্ছি সকালের মধ্যে উনাকে ছেড়ে দেব। সে তার কথা রাখে নি।খোকা ভাইকে থানায় নিদারুণ মানষিক কষ্ট দিয়ে অপমানিত করে জেলে পাঠিয়ে দেয়।অপমানে মনের কষ্টে খোকা ভাই কিছু দিনের মধ্যে মৃত্যু বরন করে।

২৯ শে ডিসেম্বর রাতে রাষ্ট্র যাদের ফ্রংকেনষ্টাইল তৈরি করেছে তাদের একজন যখন ম্যাজিট্রেট এর মা বাপ তুলে মিশিন গানের গুলির মতো গালি বর্ষন করে তখন আমার দেহমনে আনন্দের হিল্লোল বয়ে যায়, মাত্র শুরু।

২৯/৩০ ডিসেম্বর ১৮ এ রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল যারা যারা নাগরিক ভোটাধিকার কে নিষ্ঠুরভাবে, নির্মমভাবে,চরম পৈশাচিক ভাবে,অত্যান্ত বিকৃতভাবে ধর্ষন করেছেন,বলাৎকার করেছেন তাদের বিচারের জন্য অনন্তকাল অপেক্ষা করতে হবে না। অনন্তলোক,পরলোক, হিসাব নিকেশ, বেহেশত দোজখ অবস্যই বিশ্বাস করি। তবে দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি পাপের প্রায়শ্চিত্ত ইহলোকে ই ভোগ করে যেতে হবে। রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব পালন না করে, আমানত খেয়ানত করে যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভোট ধর্ষন মহা উৎসব করেছেন,তাদের বংশানুক্রমে এ পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে।

তাদের সন্তান বিকলাঙ্গ হবে,তাদের নিকট আত্মীয়র প্যারালাইস হবে,তাদের স্ত্রী পর পুরুষের সাথে ভেগে যাবে,তাদের মেয়ে তাদের মুখে চুলকালি দিবে,তাদের ছেলেরা মাদকাসক্ত হয়ে অপঘাতে মৃত্যু বরন করবে।আর তারা অসুস্থ হয়ে বিছানায় হাগা মুতা করে তা দু হাত দিয়ে মাখামাখি করে পরম তৃপ্তির সাথে বক্ষন করে রক্ষক হয়ে বক্ষক করার পাপের প্রায়চিত্ত কররে।

পরকালের বিচার করবেন মহান রাব্বুল আলামিন।

লেখকের ফেসবুক ওয়াল থেকে সংগৃহীত।

আপনার মতামত লিখুন :