সাহসী হিরো আলম ছবির প্লেব্যাক শিল্পী সুজন আনসারী 

বার্তাকক্ষবার্তাকক্ষ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৬:৪০ PM, ১৫ অক্টোবর ২০২০

নয়ন কুমার বর্মন বিনোদন প্রতিবেদক 

নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার বাড়ি ভাজেরা গ্রামের এক সাধারন মধ্যবিত্ত পরিবারের গান পাগল সন্তান সুজন আনসারী, আগামীকাল ঢাকা সহ সারাদেশে মুক্তি পাওয়া সাহসী হিরো আলম ছবির একটি স্যাড গান ভোকাল দেয়ার মাধ্যমে নবাগত প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন। ছোটবেলা থেকেই শিল্পী হবার স্বপ্ন নিয়ে বড় হওয়া সুজন আনসারীর গানের হাতেখড়ি হয়েছিল ওস্তাদ বাবু বিজন সরকার ও হাসান টিপুর কাছ থেকে। পরবর্তীতে ২০০৩ সালে সুজন আনসারী ঢাকা এসে ওস্তাদ খন্দকার এনায়েত হোসেন ও সালাউদ্দিন আহম্মেদের কাছ থেকে সঙ্গীতের মুল বেসিকের তামিল নিয়েছেন। ২০০৫ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শিল্পী সুজন আনসারী বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর অর্কেষ্টা দলে একজন মেধাবী ও জনপ্রিয় শিল্পী হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন। সেখান থেকেই শিল্পী সুজন আনসারীর পরিচয় হয় দেশের জনপ্রিয় শিল্পী মনির খানের সাথে। মনির খানের হাত ধরেই পরবর্তীতে সুজন আনসারীর গানের বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ হয় দেশের সংগীত জগতের গুরু আলাউদ্দিন আলী, মিল্টন খন্দকার, আলী আকবর রুপু ও সোহেল নিজামী’দের কাছ থেকে। এই সব গুরুজনদের সাথে চলতে চলতে অবশেষে ২০১৯ সালে চিত্র পরিচালক মুকুল নেত্রবাদী পরিচালিত সাহসী হিরো আলম ছবিতে প্রথম প্লেব্যাকের সুযোগ হয়। আগামীকাল ঢাকা সহ সারাদেশে মুক্তি পাওয়া সাহসী হিরো আলম ছবিতে মিষ্টি মধুর কথার ও জানেরি জান শিরোনামের একমাত্র স্যাড গানটি অসাধারণ মেলোডিয়াস কন্ঠে গেয়ে সুজন আনসারী ইতিমধ্যে শিল্পী হিসেবে তার মেধার স্বাক্ষর জানান দিয়েছেন। আশাকরি ছবি রিলিজ হবার পর সুজন আনসারীর কন্ঠের গানটি মানুষের মুখে মুখে থাকবে।আমাদের সংবাদদাতা কর্তৃক নেওয়া সাক্ষাৎকারে শিল্পী সুজন আনসারী বলেন যে, ছোটবেলা থেকেই আমার স্বপ্ন একজন সুপ্রতিষ্ঠিত প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবে দেশের চলচ্চিত্র জগতে আজীবন গান গেয়ে কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসার মাঝে বেঁচে থাকা। গানের বিষয়ে অসাধারণ মেধার গুনে শিল্পী সুজন আনসারী খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের সঙ্গীতাঙ্গনে একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ও জনপ্রিয় শিল্পী হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিতে পারবে বলে আমরা আশাবাদী।

আপনার মতামত লিখুন :