ব্রহ্মপুত্র-ঘাঘট-করতোয়ার পানি বিপদসীমার উপরে

বার্তাকক্ষবার্তাকক্ষ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৫:৪২ PM, ০২ অক্টোবর ২০২০

সোহাগ খন্দকার গাইবান্ধা প্রতিনিধি

৫ম দফা বন্যায় গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র-ঘাঘট-করতোয়া নদীর পানি বিপৎসীমার উপর

দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। করতোয়ার পানি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাখালী পয়েন্টে

বিপৎসীমার ১১৩ সে.মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির ফলে

গোবিন্দগঞ্জ, ঘোড়ারঘাট, দিনাজপুর আঞ্চলিক মাহাসড়ক তলে গেছে । অপর দিকে

গাইবান্ধা শহর পয়েন্টে ঘাঘট নদীর পানি বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার উপর

দিয়ে ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার উপর

দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে । তবে তিস্তা, যমুনা সহ সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি

অব্যহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টার বিকে গাইবান্ধায় গোবিন্দগঞ্জ

উপজেলার বগূলাগাড়ীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে প্রায় ৫ টি গ্রাম নতুন করে

প্লাবিত হয়েছে । বন্যার পানি বাড়ার সাথে সাঘাটা উপজেলায় আরো ৫ টি

গ্রাম প্লাবিত হয়েছে ।

বৃহস্পাতিবার ( ১ লা আক্টোবর ) সন্ধ্যা ৬ টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর

রহমান ।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহে গাইবান্ধার করতোয়া-কাটাখালী-

বাঙ্গালী নদী বেষ্টিত পলাশবাড়ী উপজেলায় ১৫ টি গ্রাম, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায়

২৫ টি গ্রাম, সাঘাটা ২০ টি গ্রামসহ মোট ৬০ টি গ্রাম প্লাবিত

হয়েছে। অপর দিকে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার সুন্দরগঞ্জ,

ফুলছড়ি, গাইবান্ধা সদর ও সাঘটা উপজেলার চরাঞ্চল প্লাবিত হয়ে শত শত বিঘা

জমিন আমন ধান পানির নিচে তলে গেছে । গাইবান্ধা শহর পয়েন্টে বিপদসীমার ৭

সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় গাইবান্ধা শহরের পাশের এলাকাতে দেখা

দিয়েছে বন্যা আতঙ্ক ।

গোবিন্দগঞ্জ পৌর সভার বাসিন্দা আব্দুল মালেক জানান, বন্যার কারণে

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাথে ঘোড়ারঘাট উপজেলার হয়ে দিনজপুর জেলারব্রহ্মপুত্র-ঘাঘট-করতোয়ার পানি বিপৎসীমার

উপরে,

পানির নিচে মহাসড়ক

জাহিদ খন্দকার:

৫ম দফা বন্যায় গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র-ঘাঘট-করতোয়া নদীর পানি বিপৎসীমার উপর

দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। করতোয়ার পানি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাখালী পয়েন্টে

বিপৎসীমার ১১৩ সে.মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির ফলে

গোবিন্দগঞ্জ, ঘোড়ারঘাট, দিনাজপুর আঞ্চলিক মাহাসড়ক তলে গেছে । অপর দিকে

গাইবান্ধা শহর পয়েন্টে ঘাঘট নদীর পানি বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার উপর

দিয়ে ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার উপর

দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে । তবে তিস্তা, যমুনা সহ সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি

অব্যহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টার বিকে গাইবান্ধায় গোবিন্দগঞ্জ

উপজেলার বগূলাগাড়ীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে প্রায় ৫ টি গ্রাম নতুন করে

প্লাবিত হয়েছে । বন্যার পানি বাড়ার সাথে সাঘাটা উপজেলায় আরো ৫ টি

গ্রাম প্লাবিত হয়েছে ।

বৃহস্পাতিবার ( ১ লা আক্টোবর ) সন্ধ্যা ৬ টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর

রহমান ।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহে গাইবান্ধার করতোয়া-কাটাখালী-

বাঙ্গালী নদী বেষ্টিত পলাশবাড়ী উপজেলায় ১৫ টি গ্রাম, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায়

২৫ টি গ্রাম, সাঘাটা ২০ টি গ্রামসহ মোট ৬০ টি গ্রাম প্লাবিত

হয়েছে। অপর দিকে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার সুন্দরগঞ্জ,

ফুলছড়ি, গাইবান্ধা সদর ও সাঘটা উপজেলার চরাঞ্চল প্লাবিত হয়ে শত শত বিঘা

জমিন আমন ধান পানির নিচে তলে গেছে । গাইবান্ধা শহর পয়েন্টে বিপদসীমার ৭

সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় গাইবান্ধা শহরের পাশের এলাকাতে দেখা

দিয়েছে বন্যা আতঙ্ক ।

গোবিন্দগঞ্জ পৌর সভার বাসিন্দা আব্দুল মালেক জানান, বন্যার কারণে

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাথে ঘোড়ারঘাট উপজেলার হয়ে দিনজপুর জেলারযোগাযোগের জন্য আঞ্চলিক মহাসড়কটি বন্যার পানির নিচে ডুবে যাওয়ায়

সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে ।

পালাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা কাদের আলী জানান, বন্যার

পানির বেড়ে যাওয়ায় আমাদের কষ্ট বেরেছে । আমরা ছেলে-মেয়েদের নিয়ে উ”ু স্থানে

মানবেতন জীবন যাপন করছি ।

সাঘাটা উপজেলার হেলেঞ্চা গ্রামের চান্দু মিয়া জানান, এবারের বন্যায় আমার ৫

বিঘা জমির ফসল পানির নিচে । আমি অনেক কষ্টে আমন ধানের চাষ করেছি ।

এবার আমি নি:শ্ব হলাম । সামনের কি খাবো নিজেও জানি না ।

গাইবান্ধায় গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিতলা গ্রামের আব্দুল মালেক জানান,

উপজেলার বগূলাগাড়ীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে প্রায় ৫ টি গ্রাম নতুন করে

প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলে গেছে আমন ধান শাক-সবজিসহ বিভিন্ন ফসল ।

ক্ষতির পরিমান অপূরনীয় ।

সাঘাটা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা জানান, বন্যার পানিতে সাঘাটা উপজেলার

বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে আমন ধানের ক্ষেত, শাক-সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের

ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান

জানান, করতোয়া নদীর পানি কাটাখালী পয়েন্টে বিপদসীমার ১১৩ সে.মিটার উপর

দিয়ে, ঘাঘট নদীর পানি গাইবান্ধা শহর পয়েন্টে বিপদসীমার ২২ সেন্টিমিটার

উপর দিয়ে ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার উপর

দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা, যমুনা সহ সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যহত

রয়েছে। যে কোন সময় বিপদৎসীমা অতিক্রম করতে পারে ।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মো: আব্দুল মতিন বলেন, বন্যার নিয়ে হতাশার কিছু

নেই, সরকার বন্যা কবলিতদের পাশে আছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেয়া

অব্যাহত।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের দেয়া তথ্য অনুয়ায়ী, টানা বৃষ্টি আর

নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার সাত উপজেলার এক হাজার ৭৫০ হেক্টর জমির আমন ধান

পানিতে ডুবে গেছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে ২৫ হেক্টর জমির শাক-সবজি পচে

গেছে। নতুন নতুন প্লাবিত গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষি ফসলের তালিকা তালিকা
প্রস্তুত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন :