নারীর নিরাপত্তায় মুঠোফোনে বিশেষ ট্রাকার সংযুক্তির আহ্বান মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের

বার্তাকক্ষবার্তাকক্ষ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৩:১২ PM, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

প্রযুক্তি ডেস্কঃ

নারীর নিরাপত্তায় মুঠোফোনে বিশেষ ট্রাকার সংযুক্তির আহ্বান জানিয়ে এসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব) সাধারণ সম্পাদক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এস. এম. ফরহাদকে চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ।

আজ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ বুধবার দুপুরে ই-মেইলে এ চিঠি প্রেরণ করা হয়। পাশাপাশি চিঠির অনুলিপি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও সকল অপারেটরগুলো সিইও বরাবরে প্রেরণ করা হয়।

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের চিঠিতে বলা হয়, “দেশে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ চরম আকার ধারণ করেছে। আমরা গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। গত বছর ৫ হাজার ৪০০ জন নারীশিশু নির্যাতনের অভিযোগে মামলা হয়েছিল। ধর্ষণের হার ৩.৮০ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতি এক লাখে ৪ জন নারী ধর্ষিত হয়েছে। চলতি বছর জানুয়ারির প্রথম ১০ দিনে ধর্ষিত হয়েছিল ১২৮ জন নারী। আর করোনা মহামারীতে ধর্ষিত হয়েছে ৯৩৪ জন নারী। বিষয়টি জনমনে অত্যন্ত উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।”

 

আরো বলা হয়, “আন্তর্জাতিক তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশ ধর্ষণের দিক থেকে সারা পৃথিবীতে ৪০ তম অবস্থানে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক উন্নত দেশে ইতিমধ্যে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন রোধে মোবাইল ফোনে বিশেষ প্রযুক্তি অ্যাপ ও ট্রাকার সংযুক্ত করা হয়েছে। কোন কোন দেশে হ্যান্ডসেট ডিভাইসের সাথে প্রিপার স্প্রে’র ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে ও অপব্যবহার রোধে আমরা প্রিপ্রার স্প্রে’র পক্ষে নই। আমরা চাই প্রতিটি অপারেটর তাদের গ্রাহকদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ অ্যাপস-ট্রাকার বা এক ডিজিটের ফ্রী কলিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হোক। এতে করে কোন নারী নির্যাতন বা ধর্ষণের পরিস্থিতিতে পড়লে ঐ অ্যাপস বা ট্রাকার ব্যবহার করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জাতীয় ৯৯৯ বা ঐ নারীর আশেপাশের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বাহিনীর কাছে লোকেশন সহ তথ্য চলে যাবে। এতে করে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ থেকে অনেক রেহাই পাবে বলে আমরা মনে করি।”

আপনার মতামত লিখুন :