প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে অতঃপর অমানবিক নির্যাতনে সেই গৃহবধূ চাদনীর আত্মহত্যা

আবদুল্লাহ আল হাদীআবদুল্লাহ আল হাদী
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১০:১২ PM, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক :  কুমারখালি উপজেলার হাবাসপুর গ্ৰামে- রিফাজ বিশ্বাস (৫০) ছেলে মোঃ নিশান বিশ্বাস(২৬) এর সাথে কুমারখালি উপজেলার সাঁওতা গ্ৰামের শহিদুল ইসলামের(৫৪) মেয়ে মোছাঃ চাঁদনীর খাতুন(২০)-সাথে প্রেমের সম্পর্কে গড়ে ওঠে ও তাদের বিয়ে হয়।

বিয়ের কিছু দিন পরেই যৌতুকের জন্য অমানুষিক নির্যাতন চালায় নিশান ও নিশান এর পরিবার এমনটাই দাবি করেন- চাঁদনীর পরিবার
অনেক দিন যাবত চাঁদনির উপর অমানুষিক নির্যাতন চালায় নিশান ও তার পরিবারের সবাই।

প্রেমের সম্পর্ক গড়ে বিয়ের পর যৌতুক হিসেবে কিছু না পেয়ে গৃহবধূর উপর অমানুষিক নির্যাতন চালায় নিশান। রোজ মঙ্গলবার ২২-৯-২০২০ এত তারিখে মিশান ও নিশানের পরিবার রাতে তাকে অনেক মারধোর করে

এবং চাঁদনী কে দুধের সঙ্গে বিষাক্ত বিষ মিশিয়ে তাকে খাওয়াই এবং আনুমানিক রাত ১০ ঘটিকার সময় গলায় দড়ি দিয়ে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে মেরে ফেলে।

ঘটনা স্থলে চাঁদনী মারা যায়। নিশান ও নিশান পরিবার লোক দেখানোর জন্য চাঁদনীকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

তখন নিশান ওনিশান এর পরিবার মেয়ের পরিবারকে কোন কিছু তাদেরকে জানাই নাই যে তাদের মেয়ে মারা গেছে। পাশের বাড়ির এক মহিলা মেয়ের পরিবারকে রোজ বুধবার ২৩-৯-২০২০ আনুমানিক দুপুর ১ ঘটিকার সময় তাদেরকে জানাই।

মেয়ের পরিবার ছেলের বাড়িতে গিয়ে দেখে তাদের মেয়ে মারা গেছে। মেয়ের বাপের কথায় জানা গেছে তার মেয়েকে অনেক মারধোর করেছে হাতে পায়ে অনেক মারির চিহ্ন আছে।

কুমারখালী থানার এস আই হাসান ঘটনাস্থলে যাই এবং দেখে মৃত ব্যক্তি টিকিট অবস্থায় পড়ে আছে। এসআই হাসান তাকে সনাক্ত করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাই।

আপনার মতামত লিখুন :