সাদা নহে লালই চিনি! বাঁচুক জাতি, বাঁচুক অর্থনীতি! মুগ্ধ খন্দকার

বার্তাকক্ষবার্তাকক্ষ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৮:১৯ PM, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

বাংলাদেশের একসময়কার সোনালী আশঁ বলা হত যাকে তা হলো পাঠ শিল্পকে যা বর্তমানে বিলুপ্তপ্রায়, পাঠশিল্পের পাশাপাশি বিলুপ্তের পথে দেশের চিনিকলে তৈরী লাল চিনি।

দেশের সরকারী সকল চিনিকলের ভেজালমুক্ত, স্বাস্থ্যকর ও খাঁটি চিনি তৈরী করা হয় যা লালচে বর্ণের হওয়ায় বলা হয়ে লালচিনি।
বিদেশ থেকে অামদানীকৃত কিংবা বেসরকারিভাবে উৎপাদিত চিনি বেশিরভাগই ক্যামিক্যাল মিশ্রিত বিষাক্ত যা স্বাস্থ্যসম্মত দেখতে হলে ও তা পুরোটাই ভিন্ন কথায় আছে না “Dont judge a book by its cover.”
তুলনাগত দিক থেকে আমাদের দেশীয় কারখানার লাল চিনি” সম্পূর্ণ ঝুকিমুক্ত ও নিরাপদ এখানে কোনো ধরনের ক্যামিক্যাল কিংবা বিষাক্ত পদার্থ দেয়া হয় না।
ক্যামিক্যাল মুক্ত দেশীয় চিনি কে না খেতে চায় সমস্যা একটাই ভেজাল সাদা চিনির তুলনায় লাল চিনির দাম বাজারে বেশি এবং পরিমাণেও লাগে একটু বেশি, যা অনেকের ইচ্ছা থাকলেও কিনে খাওয়া সম্ভব হয় না হয়ত৷
কিন্তু আমাদের দেশের সমাজ পরিবার ও শিশুদের নিরাপদ স্বাস্থ্যের দিকটি বিবেচনা করে হলেও ভেজালযুক্ত সাদা চিনির পরিবর্তে দেশের সরকারি সুগার মিলের “লাল চিনি খাওয়া উচিত৷
দেশের জনগণের স্বাস্থ্যের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে হলেও “লাল চিনি”-এর গণব্যবহার শুরু করা উচিত৷
এই গণ ব্যবহার শুরু করলে অামাদের দেশের চিনিকলগুলোকে বাঁচাতেও বিরাট বড় ভূমিকা পালন করবে।
এই গণব্যবহার না থাকায়, সাদা চিনির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় চিনিকলগুলো অার্থিক ভাবে বিরাট ক্ষতিগ্রস্থ। আর এই ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা থাকায় চিনিকলের কর্মকর্তা, কর্মচারী কৃষকদের বেতন-পাওনা ঠিক মত পায় না। এক সংশ্লিস্ট তথ্য অনুযায়ী দেশের কিছু কিছু চিনিকলের কর্মকর্তার কর্মচারী ও শ্রমিকদের গত দুই ঈদের বেতন বোনাস ঠিকমতো বুঝে পায়নি অনেকেই৷ আবার অনেকে ঠিকমত বেতনও পায় না।
দেশে লালচিনির গণব্যবহারের পাশাপাশি “স্বাস্থ্যসম্মত লাল চিনি ব্যবহার করুন” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় সারা বিশ্বের মানুষের সুস্বাস্থ্য রক্ষার সাথে লালচিনিকে উন্নত মানের বাজারজাতকরণের মাধ্যমে দেশের বাহিরে রপ্তানি করে অর্থনৈতিক চাকাকে আরো বেগবান করা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন :